টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বিদ্যুৎখাতে ভারত-নির্ভরতা বাড়ছে

চট্টগ্রাম, ০৯ জুন (সিটিজি টাইমস):: বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের ভারত-নির্ভরতা ক্রমেই বাড়ছে। ২০২১ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ও লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিদেশী অর্থায়ন এবং বেসরকারিকরণকে অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। আর এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিদ্যুৎ খাতটি ক্রমেই সরকারের হাতছাড়া হয়ে বেসকারি খাতে বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশ ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে।

শুধু আধিপত্য বিস্তারই নয়, দেশের সিংহভাগ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও এর অপারেটিং সিস্টেমও দেশী-বিদেশী কোম্পানির হাতে চলে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা অভিমত দিয়েছেন।

সর্বশেষ গত ৬ জুন ভারতের দুই বৃহৎ শিল্প পরিবার রিলায়েন্স ও আদানি গ্রুপের সঙ্গে চার হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমঝোতা সই করেছে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিবি)। বাংলাদেশের বিশেষ আইনের আওতায় এ দু’টি ভারতীয় কোম্পানিকে ৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা ৮ হাজার মেগাওয়াট। সরকারি-বেসরকারি মিলে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫ হাজার ৬০৬ মেগাওয়াট। আর বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫ হাজার ৪৭৮ মেগাওয়াট। কিন্তু সরকারি-বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রকৃতপক্ষে উৎপাদন হচ্ছে ৭ হাজার ৫৭০ মেগাওয়াট। সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো কখনো ক্ষমতার পুরোটা উৎপাদন করতে পারে না।

ভারত থেকে এক হাজার এক শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে এর আগে চুক্তি হয়েছে। দেশটির পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সাবস্টেশন হয়ে বর্তমানে ৫শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়েছে। আগামী ২০১৭ সালের মধ্যে আরও ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে। এর মধ্যে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ত্রিপুরা থেকে এক শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কুমিল্লা সাবস্টেশনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে। এ ছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের রামপালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে ২০১৩ সালে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি হয়েছে। ওই কেন্দ্রটি নির্মাণে দুদেশের অংশীদারত্বের কথা বলা হলেও বাস্তবে এ কেন্দ্রের পুরো নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতেই থাকবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় চার হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশটির বৃহৎ শিল্প গ্রুপ রিলায়েন্স ও আদানি পাওয়ার লিমিটেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে সই করেছে বিপিডিবি। সবমিলিয়ে ৭ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশী বিদ্যুতের জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল হতে হচ্ছে সরকারকে।

রিলায়েন্স ও আদানি গ্রুপ বাংলাদেশে বিশেষ আইনের আওতায় চার হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ পাচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে রিলায়েন্স ও আদানি গ্রুপ প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা (৫৫০ কোটি ইউএস ডলার)বিনিয়োগ করবে।

সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী, রিলায়েন্স গ্রুপের রিলায়েন্স পাওয়ার লিমিটেড ৭৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র তথা তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি করবে। এরপর কোম্পানি আমদানিকৃত এলএনজি’র জন্য ভাসমান মজুতাগার তৈরী করবে এবং সেখান থেকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের পর গ্যাসভিত্তিক তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে। এ পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে রিলায়েন্স গ্রুপ প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা (৩০০ কোটি ইউএস ডলার) বিনিয়োগ করবে।

অন্যদিকে আদানি গ্রুপের আদানি পাওয়ার লিমিটেড কয়লাভিত্তিক দু’টি ইউনিটে মোট এক হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এ জন্য তারা বিনিয়োগ করবে প্রায় ২৫০ কোটি ইউএস ডলার। তবে দুই কোম্পানিরই প্রস্তাবিত কেন্দ্রগুলো কিংবা এফএসআরইউ কোথায় হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ ছাড়া বিদ্যুতের দাম কেমন হবে, তারও কোনো ধারণা দেওয়া হয়নি।

দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে বিগত ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার তিন বছরের জন্য ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানীর দ্রুত সরবরাহ (বিশেষ বিধান)’ আইন প্রণয়ন করেছিল। পরে আইনটি সংশোধন করে মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানো হয়। এই আইনের আওতায় প্রচলিত দরপত্র প্রক্রিয়া ছাড়াই যেকোনো কোম্পানিকে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে সরকার। এ নিয়ে কখনো কোনো আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যাবে না। রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো এই বিশেষ আইনের আওতায়ই করা হয়েছিল। সর্বশেষ রিলায়েন্স ও আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিশেষ আইনের আওতায় চার হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমঝোতা স্মারকে সই করেছে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

৬ জুনের সমঝোতা সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে চেষ্টা করছি বিদ্যুৎখাতে একে অপরের সহযোগিতা নেওয়ার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই অনুষ্ঠান। অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেছেন, কেন আমরা ভারতের কাছ থেকে বিদ্যুৎ নিচ্ছি? কেন নেপালের কাছ থেকে নিচ্ছি না— কেন নেপাল দেরি করছে। নেপাল থেকে দ্রুততার সঙ্গে বিদ্যুৎ আনার জন্য চেষ্টা করছি। ভুটানের কাছ থেকেও আনার চেষ্টা করছি। এ জন্য ভারতের সহযোগিতা লাগবে। সেখানে আমরা এগিয়ে গেছি। ভারত থেকে ইতোমধ্যে আমরা পাঁচ শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিচ্ছি। ত্রিপুরা থেকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরও এক শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবারের বাজেটে বিদ্যুৎখাতকে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কারণ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হতে হলে বিদ্যুৎ অবশ্যম্ভাবী। বাংলাদেশের যে গ্রথ-ডেভেলপমেন্ট আশা করছি তা এই বিদ্যুতে হবে না। সেই অনুযায়ী কিন্তু আজকে এই চুক্তি স্বাক্ষর। খুব দ্রুততার সাথে এই চুক্তির সফলতা আনতে হবে এবং জনগণকে এর সুফল দিতে হবে।’

শুধু যে বিদ্যুৎ উৎপাদন বা আমদানির ক্ষেত্রেই ভারতের আধিপত্য তা নয়, ভারত থেকে যে বিদ্যুৎ আমদানি হচ্ছে ও হবে এ জন্য সঞ্চালন লাইন নির্মাণ ও উপকেন্দ্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজও করছে ভারতীয় কোম্পানি।

বর্তমানে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৫৫ ভাগ উৎপাদন ক্ষমতা সরকারের হাতে রয়েছে। বাকি ৪৫ ভাগই বেসরকারি খাতে চলে গেছে। তবে শিগগিরই বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে চলে যাচ্ছে। কারণ আগামী দুই বছরের মধ্যে ৭৬টি ছোট-বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। এর মধ্যে ৪১টিই বেসরকারি। এগুলো চালু হলে বেসরকারি খাতের আধিপত্য আরও বাড়বে। এ ছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পগুলোও বন্ধ না হয়ে মেয়াদ আবারও বাড়ানো হচ্ছে।

বিদ্যুৎখাত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বেসরকারি ও বিদেশী খাতের অংশীদারিত্ব থাকতেই পারে। তবে অবশ্যই এতে সরকারের প্রাধান্য থাকতে হবে। বিদ্যুতের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে বিদেশ নির্ভরতা টেকসই উন্নয়নের জন্য চরম হুমকির কারণ হতে পারে।

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ এ বিষয়ে দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘সরকারের নীতি হল বিদ্যুৎকে বেসরকারিকরণ করা। বেসরকারি কোম্পানির মধ্যে বিদেশীরাই হল শক্তিশালী। এক্ষেত্রে সরকার ভারতীয় কোম্পানিকে বেছে নিয়েছে। সরকার নিয়ম নীতি রক্ষা না করে খেয়াল-খুশি মতো দায়মুক্তি আইনটা ব্যবহার করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশীদের হাতে বিদ্যুৎ খাত চলে গেলে বিদ্যুতের যেমন দাম বাড়বে তেমনি এ খাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। দেশের পুরো অর্থনীতি দেউলিয়া হয়ে যাবে। দেশের বিদ্যুৎ খাত যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তাহলে অর্থনীতিও জিম্মি হয়ে পড়বে।’

পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বিডি রহমাতুল্লাহ দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘দেশের বিদ্যুৎখাত যেভাবে ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে একদিন এর মাসুল দিতে হবে। বিদ্যুৎখাত ভারতের কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে। বর্তমানে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বিদ্যুৎ কেন্দ্র হয়ে ভারত থেকে ৫শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির কথা বলা হলেও আসছে ২ শ’ থেকে ৩শ’ মেগাওয়াট। গত বছরের নভেম্বরে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সাবস্টেশনে বিদ্যুতের ‘ব্লাক আউট’ হল। এ ঘটনায় দুই দিন দেশ অন্ধকারে থাকল। এ ঘটনার জন্য কিন্তু, ভারতকেই দায়ী করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি ও উৎপাদন ক্ষমতা ভারতের উপর নির্ভরশীল। এই যে নির্ভরশীলতা, এটা কিন্তু ভয়ঙ্কর দিক।’

বিদ্যুতের এ বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘সর্বশেষ মোদির সফরের সময় ভারতের দুই বেসরকারি কোম্পানিকে বিশেষ আইনের আওতায় চার হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এত বৃহৎ প্রকল্প কী বিশেষ আইনে যাকে খুশি তাকে দেওয়া যাবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ আইনে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হয়েছে। সেখানে কিন্তু, নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। আর এত বড় পাওয়ার স্টেশন কোনো টেন্ডার ছাড়াই দেওয়া হল কীভাবে? এখানে কে ট্যারিফ (দাম) নির্ধারণ করবে, মান কেমন হবে এর কোনো তথ্য নেই। আর কেন বিদেশী কোম্পানিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দায়িত্ব দিতে হবে। আমাদের কী সক্ষমতা হয় নাই?’

পাওয়ার সেলের সাবেক এই ডিজি আরও বলেন, ‘কোনো কারণে যদি ভারতের সরকার বাংলাদেশ বিরোধী হয় তাহলে কিন্তু, তারা এই বিদ্যুৎ খাত দিয়ে পুরো বাংলাদেশকে বা সরকারকে জিম্মি করতে পারবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর অপারেশন কন্ট্রোল ভারতের কোম্পানিগুলোর হাতে থাকলে তারা যা ইচ্ছা তা করতে পারবে। এই যে রামপাল ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক যৌথ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইতোমধ্যে এটার পুরো কর্তৃত্ব কিন্তু, ভারতের হাতে চলে গেছে। রামপালে উৎপাদিত বিদ্যুতের দরও ভারত নির্ধারণ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।’

ভারতের দুই কোম্পানির সঙ্গে চার হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে কনজ্যুমারস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর উপদেষ্টা জ্বালানী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শামসুল আলম এ বিষয়ে দ্য রিপোর্টকে বলেন, ‘বিদ্যুৎ চুক্তি করতে হলে কতগুলো শর্ত ও ক্রাইটেরিয়া মেনে চলতে হয়। কিন্তু, ভারতের এ দুই কোম্পানির সঙ্গে তা মানা হয়নি। উৎপাদন ব্যয় কত হবে, দাম কত হবে তা যাচাই বাছাই হতে হবে— এভাবে তো কোনো বিদ্যুৎ চুক্তি হতে পারে না। এতে ক্রয়মূল্য বাড়ানোর একটা সুযোগ থেকে যায় এবং তাতে জনস্বার্থ ব্যহত হয়। এভাবে চুক্তি করা কাঙ্ক্ষিত নয়, এ ধরনের চুক্তি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করি না।’

তিনি বলেন, বিদ্যুৎখাতে মনে হয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ নাই। এ কারণে বিদেশ নির্ভরতা-বেসরকারিকরণ বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে বিদ্যুৎখাতে বিপর্যয় নেমে আসবে। জ্বালানী নিরাপত্তা বিপন্ন হবে।

মতামত