টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে বাসায় গ্যাসের হাহাকার

চট্টগ্রাম, ০৮ জুন (সিটিজি টাইমস) :: চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। জ্বলছেনা রান্নার চুলা। বন্ধ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সংকটে কয়েক’শ শিল্প কারখানা। হবিগঞ্জের বিবিয়ানা ক্ষেত্র থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় এ সংকট দেখা দিয়েছে। সোমবার এ সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকটে রড-সিমেন্ট তৈরির মতো বড় কারখানার পাশাপাশি ছোট ছোট ১৬৩টি বিদ্যু‍ৎ কেন্দ্রের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, শনিবার রাত থেকেই চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন, ঝাউতলা, বাকলিয়া, জামালখান, রহমতগঞ্জসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ নেই। এছাড়া কিছু কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ থাকলেও চাপ ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম।

গ্যাস-সঙ্কটের কারণে বিস্তীর্ণ এলাকার বাসাবাড়িতে চুলা জ্বলছে না। এ কারণে রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই অনেকে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন।

এছাড়া নগরীর বেশীরভাগ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নেই। যেসব স্টেশনে গ্যাস আছে সেখানে গ্যাসের জন্য লম্বা গাড়ির লাইন চোখে পড়েছে। গ্যাসের জন্য লাইনে দাঁড়ানো এসব গাড়ির চালকদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।

অক্সিজেন এলাকার বাসিন্দা আবদুল করিম জানান, ‘ভোরে চুলায় দেশলাই দিয়ে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করা হয়, কিন্তু গ্যাস সরবরাহ না থাকায় চুলা জ্বালানো যায়নি।’

কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে গ্যাসের চাহিদা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি। কিন্তু দৈনিক সরবরাহ করা হয় মাত্র ২৩০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। এ অবস্থায় অন্যান্য দিনের তুলনায় রোববার চট্টগ্রামে গ্যাস কম পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এ কারণে গ্যাসের সঙ্কট সৃষ্টি হয়।

কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার মতিউর রহমান  বলেন, ‘বিবিয়ানা থেকে গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় চট্টগ্রামে গ্যাস সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে।’

রোববার কত মিলিয়ন ঘনফুট পাওয়া যাচ্ছে প্রশ্নে তিনি প্রথমে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন। পরে বিষয়টি তুলে ধরা হলে বলেন, ‘আমি আপনাকে এ তথ্য দেব কেন? আপনি জনসংযোগ অফিসারের সাথে কথা বলুন।’

মতামত