টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘কানেক্টিভিটি’র ওপর জোর হাসিনা-মোদির

INচট্টগ্রাম, ০৬ জুন (সিটিজি টাইমস) :: বাংলাদেশ ও ভারতসহ আশপাশের দেশগুলোর মধ্যে ‘কানেক্টিভিটি তথা আন্তঃযোগাযোগ’ ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে তারা বিষয়টির ওপর জোর দেন।

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের ট্রানজিট তথা করিডোর বাস্তবায়নের বিষয়টি অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচিত হয়ে আসছিল। কিন্তু বিগত বছরগুলোতে এই দুটি পরিভাষা বাদ দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের ক্ষমতাসীন দলের নেতা এবং সরকারি কর্মকর্তারা ‘কানেক্টিভিটি তথা আন্তঃযোগাযোগ’ পরিভাষা ব্যবহার করছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং আমি উভয়েই এ বিষয়ে সম্মত হয়েছি যে, আন্তঃযোগাযোগ শুধু এই দুদেশের নয়, এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘উপকূলীয় নৌ চলাচল চুক্তি, বাণিজ্য চুক্তির নবায়ন, অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন প্রটোকল স্বাক্ষর এবং এর সঙ্গে নতুন বাস সার্ভিস উদ্বোধন এ অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ প্রতিষ্ঠার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের দৃষ্টান্ত।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, দুদেশের স্বার্থেই ‘কানেক্টিভিটি তথা আন্তঃযোগাযোগ’ প্রয়োজন। এর মধ্যে দিয়ে দুদেশের মানুষের মধ্যে আরো নিবিড়ভাবে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, বৈঠকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি এবং তিস্তাসহ ‘অভিন্ন (আন্তর্জাতিক)’ নদীর পানিবণ্টনের বিষয়টি মোদির নজরে আনা হয়েছে। এ বিষয়ে মোদি ‘সব কিছু করার’ আশ্বাস দিয়েছেন।

এ সময় মোদি বলেন, বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি সহনীয় পর্যায়ে আনার জন্য সবকিছু করা হবে। স্থল সীমান্ত চুক্তির ধারাবাহিকতায় রাজ্য সরকারের সমর্থন নিয়ে তিস্তা ও ফেনী নদীর পানি বণ্টনসহ আন্তর্জাতিক নদীগুলোর বিষয়ে স্বচ্ছ সমঝোতা সম্ভব হবে।

যৌথ বিবৃতির অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। আর একইভাবে দুদেশের নিরাপদ ভবিষ্যতের ওপর গুরুত্ব দেন নরেন্দ্র মোদি।

মতামত