টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

এক নিমিষে বদলে গেলেন ইসলামবিদ্বেষী জেসন

wচট্টগ্রাম, ০৫ জুন (সিটিজি টাইমস) :: যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনার ফিনিক্সে মহানবী সা. এর কার্টুন আঁকার অধিকারের দাবিতে গত শুক্রবার একটি মসজিদের বাইরে বিক্ষোভে জড়ো হয়েছিলেন শ’ পাঁচেক ইসলাম বিরোধী ব্যক্তি।

তাদের মধ্যে ছিলেন ফিনিক্সের বাসিন্দা জেসন লেজার। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই বদলে গেলেন তিনি। মসজিদ পরিদর্শনের সুযোগ পেয়ে আর মুসল্লিদের সাথে কথা বলে তার মুখ থেকে বেরিয়ে এলো- ‘ ইসলাম ধর্ম সুন্দর’।

অথচ তিনি ছিলেন গোঁড়া ইসলাম বিরোধী। বিক্ষোভে তিনি যে টি শার্ট পড়ে এসেছিলেন তাতে লেখা ছিল ফা*** ইসলাম (ইসলামকে ধর্ষণ করো)।
এরপরেই ঘটে নাটকীয় ঘটনা। তাকে মসজিদটি পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টার নামের মসজিদটিতে প্রবেশ করে তিনি মুসল্লিদের নামাজ আদায় পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাদের সাথে কথা বলেন।

এরপর তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে ইসলাম একটি ‘সুন্দর জিনিস’।

তিনি অঙ্গীকার করেন যে আর কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন না তিনি।

ফক্স টেন চ্যানেলকে তিনি বলেন, মুসল্লিদের সাথে কথা বলে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে আর কখনো তাদের আঘাত করে কথা বলবে না, তাদের শ্রদ্ধা করবেন।

জেসনের ভাষায়, ‘ আমি যখন সত্যিই এক সেকেন্ড বসলাম এবং তাদের কথা শুনলাম এবং সত্যিই মসজিদে প্রবেশ করলাম এবং তাদের নামাজ আদায় দেখলাম এটা তো সুন্দর জিনিস। তারা আমার জিজ্ঞাসার জবাব দিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মুক্তমত পছন্দ করি না কিন্তু সেটা হওয়া উচিত। আমাদের উচিত লোকজন যা পরতে চায় তা পরতে দেয়া এবং যা বলতে চায় তা বলতে দেয়া।’

জেসনের সাথে তার চাচা পল গ্রিফিথও ইসলামবিরোধী ওই বিক্ষোভে অংশ নেন। এখন আবার তাদের দুজনকে ওই মসজিদ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জেসন জানান, ‘আমি ও আমার চাচা পল অনুভব করছি যে আমাদের মুসলিম জনগোষ্ঠীর সাথে কথা বলা উচিত।’

তার চাচা পল আর কখনো এ ধরনের টি শার্ট পরবেন না বলে অঙ্গীকার করেছেন।

গত শুক্রবারের ওই বিক্ষোভের সময় বিক্ষোভকারী ও বিক্ষোভ বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
যে লোক ওই বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল সেই জন রিৎসজেইমারকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইসলামিক স্টেট। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বাড়ির ঠিকানাও ফাঁস করে দিয়েছে আইএস।

এরপর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন রিৎসজেইমার। পরে তিনি তাকে সহায়তার জন্য ১ কোটি ডলার (প্রায় ৮০ কোটি টাকা) তহবিল সংগ্রহের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সাড়া মেলেনি।

সূত্র: ডেইলি মেইল

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত