টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘ইফার ফতোয়া মনগড়া’

সলামিক ফাউন্ডেশনের এই ফতোয়া মূলত ঈমানদারদের আল্লাহর মসজিদ ও ইবাদত থেকে ফিরিয়ে রাখারই গভীর চক্রান্তের অংশ। এটা উলামাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির অংশ কিনা তা ইফা কর্তৃপক্ষ ও সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে

Ifচট্টগ্রাম, ০১ জুন (সিটিজি টাইমস) : ‘মসজিদে চেয়ারে বসে নামাজ আদায় যায়েজ নেই’— ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) এমন ফতোয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সম্মিলিত ইসলামী দলসমূহ। বাংলাদেশ জাতীয় ফতোয়া বোর্ডের মুফতিরা ও শীর্ষ উলামায়ে কেরাম এক যুক্ত বিবৃতিতে সোমবার এ নিন্দা জানান। তারা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই ফতোয়াকে মনগড়া হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই ফতোয়া মূলত ঈমানদারদের আল্লাহর মসজিদ ও ইবাদত থেকে ফিরিয়ে রাখারই গভীর চক্রান্তের অংশ। এটা উলামাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির অংশ কিনা তা ইফা কর্তৃপক্ষ ও সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে। কারণ ইফার ফতোয়ায় যে সমস্ত দলিল কোড করা হয়েছে তার কোনটিতেই চেয়ারে নামাজ পড়ার নিষেধাজ্ঞা আদৌ নেই। অথচ কাদের খুশি করার জন্য ইফার মুফতিরা এ ধরনের মনগড়া ফতোয়া দিতে সাহস করলেন তা আমাদের বুঝে আসে না।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাজধানীসহ দেশের গ্রাম-গঞ্জ ও প্রত্যান্ত অঞ্চলে খুন, গুম, হত্যা ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও অপহরণ বিপদজনক হারে বেড়েই চলেছে। ক্ষমতা লিপ্সুদের উদাসিনতা ও প্রভাবশালী দলীয় ক্যাডারদের রক্ষা নীতির কারণেই এহেন জঘন্য সামাজিক অপরাধ মহামারি আকার ধারণ করেছে। যা আল্লাহর গজবকে তরাণ্বিত করছে। সম্প্রতি বার বার ভূমিকম্পের আভাস, সড়ক দুর্ঘটনা, লঞ্চ ডুবি ও নৃশংসতা সব কিছুই এ গজবেরই অংশ। এ অবস্থায় আল্লাহর এ গজব থেকে রক্ষা পেতে সকলকেই তওবা করতে হবে।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি শাইখ আবদুল মোমিন, সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবু নগরী, খেলাফত আন্দোলনের প্রধান আমীরে শরীয়ত হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হজুর, মাওলানা মোহাম্মাদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী, অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন, শাহতলীর পীর মাওলানা আবুল বাসার, ফরায়েজী আন্দোলনের আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ মো. হাসানসহ শতাধিক মুফতি ও উলামায়ে কেরাম বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন।

মতামত