টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আবারও সংলাপের আহ্বান বিএনপির

চট্টগ্রাম, ১৯ মে (সিটিজি টাইমস) ::সরকারকে আবারও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে বেসলাইন ধরে দেশে শান্তি ও সমঝোতার পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে জনগণের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো চর্চার পথে সব বাধা-প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির দফতরের দায়িত্বশীল আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন। জাতীয় নেতাদের মুক্তি এবং গণদাবির প্রতি সম্মান দেখিয়ে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার সবার সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিপন।

রিপন বলেন, গতকাল ১৮ মে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমাদের দলের পক্ষ থেকে কিছু কথা মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে চাই। তিনি গতকাল ঢাকায় বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস এবং আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বলেছেন, ‘আমরা সংঘাত নয়, শান্তি চাই।’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ দৃষ্টিভঙ্গিকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিএনপি কখনই সংঘাত-নৈরাজ্য-হানাহানি-রক্তারক্তির রাজনীতিকে প্রশ্রয় ও সমর্থন দেয় না। একটি উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি বরাবরই শান্তিপুর্ণ পন্থায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে একটি অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে সরকার গঠনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। কিন্তু, ক্ষমতাসীনরাই একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনে জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবি এবং জনগণের ভোটের অধিকারের এই দাবির পক্ষে গড়ে ওঠা বিশ্ব জনমতকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে চলেছে।

আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি আগাগোড়াই দেশে সংঘাত-সংঘর্ষের রাজনীতির বিপরীতে শান্তি-সমঝোতা-সম্প্রীতির রাজনীতির পক্ষে তার দৃঢ় অবস্থানের কথা বলে আসছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটাই সত্যি যে, সরকার সংবিধান স্বীকৃত সভা-সমাবেশ-মিছিল-হরতাল-অবরোধের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকারগুলোকে হরণ করেছে ও কর্তৃত্ববাদী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথকে উৎসাহিত করছে এবং এর ফলে বিরোধী মত দলিত হচ্ছে। বিরোধী নেতা-কর্মীরা খুন, গুম, মামলা, হামলা ও গ্রেফতারে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি সু-শাসন ও গণতন্ত্রের জন্য অন্তরায়।

মতামত