টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবেন সালাহ উদ্দিন?

bnpচট্টগ্রাম, ১৫ মে এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) :: বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদকে নিয়ে গলদঘর্ম অবস্থা শিলং পুলিশের।

তিনি কীভাব সীমান্ত পারি দিয়ে মেঘালয় পর্যন্ত গেলেন সে প্রশ্নের কোনো কিনারা করতে পারছেন না পুলিশ।

অপহরণ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে সন্দেহ থাকলেও শিলং পুলিশ বিষয়টি আমলে নিয়েছেন। তবে সালাহ উদ্দিনের শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় পুলিশ এ ইস্যুতে তাকে সেভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না।

এরই মধ্যে সালাহ উদ্দিনের কয়েকজন আত্মীয় তার সঙ্গে হাসপাতালে দেখা করেছেন।

শিলং পুলিশের বরাত দিয়ে শিলং টাইমসের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, কোনো কারণে নিজেকে বাঁচাতে বেপরোয়াভাবে সালাহ উদ্দিন সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে শিলং পৌঁছেছেন কি না সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ বলছেন, সালাহ উদ্দিনকে একাজে সহায়তা করার জন্য স্থানীয় কোনো লোকের হাত থাকার বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে।

এদিকে ভারতে সালাহ উদ্দিনের রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার বিষয়টি নিয়েও কানাঘুষা শুরু হয়েছে।ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বক্তব্যের পর অভিযোগটি জোরালো হতে থাকে।

ভারতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন।

কেননা এরই মধ্যে সালাহ উদ্দিন তাঁর দেশে সরকারি বাহিনীর নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অভিযোগে করেছন।তবে ঐ চিঠিতে সালাহ উদ্দিন আর কি লিখেছেন সে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি।

ভারতের সিনিয়র ঐ কর্মকর্তা বলেন, যেহেতে আমরা সালাহ উদ্দিনকে কোনো পাসপোর্ট-ভিসাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া পেয়েছি সে ক্ষেত্রে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সালাহ উদ্দিনের দুই আত্মীয় এবং একজন ব্যবসায়ী হাসপাতালে তার সঙ্গে দেখা করার পর তাঁর রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার বিষটি নিয়ে আালোচনা আরও জোরদার হতে থাকে।

সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর আব্দুল লতিফ জনি বলেছেন, সালাহ উদ্দিনের শারিরীক অবস্থা ততটা ভালো নয়। তার আরো ভালো চিকিৎসা দরকার।তিনি এবিষয়ে চিকিতসকদের সঙ্গে আলাপ করেছেন।

তিনি আরো জানান, সালাহ উদ্দিন কিভাবে শিলংয়ে পৌঁছেছেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

গত সোমবার মেঘালয়ের শিলংয়ে সালাহ উদ্দিন আহমেদকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সালাহ উদ্দিনের সাথে দেখা করে কলকাতায় থাকা তার চাচাতো ভাই আইয়ুব আলী জানান, অজ্ঞাত পরিচয়ে কিছু লোক ৬২ দিন ধরে সালাহ উদ্দিনকে অপহরণ করে রেখেছিলো। তারা তাকে গাড়িতে করে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়েছে। অবশেষে চোখ বেঁধে শিলংয়ের গলফ কোর্সের কাছে রেখে গেছে।

পশ্চিম খাসী হিলসের এসপি খার্করাং জানান, আমরা তার অপহরণের র‌্যাপারে নিশ্চিত না।অসুস্থ থাকায় আমরা বিএনপির এ নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদও করতে পারছি না।

বৃহস্পতিবার মেঘালয় পুলিশের বিশেষ শাখার দুই সদস্য হাসাপাতালে দুই ঘণ্টা যাবত সালাহ উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। শরীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় বিশেষ কিছু জিজ্ঞাস করতে পারেননি।

মতামত