টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আদালতে ১১৬ যাত্রী, ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি

2

ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:

সেন্টমার্টিনের ১০ কিলোমিটার অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার ১১৬ মালয়েশিয়াগামী যাত্রীকে ১৪ মে বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার আদালতে হাজির করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া এসব লোকদের মধ্যে কক্সবাজার, সিরাজগঞ্জ, ব্রাম্মনবাড়িয়া, নারায়নগঞ্জ, বগুড়া, সুনামগঞ্জ, পাবনা, যশোর ও ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা রয়েছে। রিপোর্ট লেখাকালে তাদের জবানবন্দি নিচ্ছে আদালত। শেষে তাদের স্বজনের হাতে তুলে দেয়ার কথা রয়েছে।

এ দিকে সাগরে ভাসমান এসব যাত্রী দীর্ঘ দেড়মাস অভুক্ত থাকায় শারীরিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়ে। তাদের করুণ অবস্থা দেখে এগিয়ে আসে দেশের অন্যতম বেসরকারী টেলিভিশন যমুনা টিভি।

১১৬ যাত্রীর মুখে তুলে দেয় দুপুরের খাবার ও পানিয় জল।

এ সময় যমুনা টিভির পক্ষ থেকে বিশেষ প্রতিবেদক মুহসিন-উল হাকিম ও কক্সবাজার প্রতিনিধি ইমরুল কায়েস চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সরেজমিন আদালতে গিয়ে দেখা গেছে, এদের অধিকাংশ অসুস্থ। ভালকরে নড়াচড়াও করতে পারছেনা। এদের মধ্যে চারজনকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তবে তারা আশঙ্কামুক্ত বলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা জানায়।

থাইল্যান্ডে ধরপাকড় বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে দালাল ও ট্রলার মাঝি-মাল্লারা অপর ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যায়। দালাল ও মাঝি-মাল্লারা থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের নাগরিক। পরে ১১৬ জন যাত্রীরা নিজেই ট্রলারটি নিয়ে সেন্টমার্টিন উপকূলের দিকে আসার সময় সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ড তাদের আটক করে।

মালয়েশিয়াগামী যাত্রীদের মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় সেন্টমার্টিন থেকে পূর্ব-দক্ষিনের গভীর বঙ্গোপসাগর থেকে আটক করা হলেও ১৩ মে বুধবার সকাল ৭ টায় টেকনাফ উপকূলে নিয়ে আসা হয়। সেখান থেকে আজ সকালে আদালতে আনা হয়।

থাইল্যান্ডের উপকূলীয় জঙ্গলে গণকবরের সন্ধান ও শত শত বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের উদ্ধারের পর থেকে সাগরে প্রায় আট হাজার যাত্রী ভাসমান অবস্থায় রয়েছে আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত