টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সেন্টমার্টিনে ১১৬ মালয়েশিয়াগামী উদ্ধার

ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:

সেন্টমার্টিন থেকে ১০ কিলোমিটার অদূরে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে ভাসমান অবস্থায় ১১৬ মালয়েশিয়াগামী যাত্রীকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। ১২ মে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।
গত কয়েকদিন ধরে ট্রলারটি সেন্টমাটিন্সের কাছাকাছি মিয়ানমার সীমান্তে প্রায় ১৩২ জন যাত্রী নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিল। থাইল্যান্ডের উপকূলীয় জঙ্গলে গণকবরের সন্ধান ও শত শত বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের উদ্ধারের পর থেকে সাগরে প্রায় আট হাজার যাত্রী ভাসমান অবস্থায় রয়েছে আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
এ দিকে গত সোমবার সকালে ভুট্টো নামের চকরিয়া উপজেলার এক যাত্রী উক্ত ট্রলার থেকে মোবাইল ফোনে অন্য একটি বোট পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করার অনুরোধ জানান। ভুট্টো মোবাইল ফোনে বলেছিলেন, ট্রলারটিতে প্রায় ১৩২ জন যাত্রী রয়েছেন, যার মধ্যে  ২২ জন রোহিঙ্গা নারী। বাদবাকী সব বাংলাদেশী ।
তিনি আরো জানান, নৌ-বাহিনীর ভয়ে ট্রলারটি সেন্টমার্টিন্সে ভিড়তে সাহস করেনি। উক্ত ট্রলার মালিকের জনৈক হাসেম ও মাঝির নাম নবী হোসেন বলেও দাবী করেন তিনি।
সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. বিগসন চৌধুরী জানান, স্থানীয় জেলে ও বিভিন্ন সুত্রে ওই ভাসমান ট্রলারটির খবর পায় কোস্টগার্ড। এসব যাত্রীদের উদ্ধারে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে রওয়ানা দেয় কোস্টগার্ড’র উদ্ধারকারী দল। বিকেল ৫টা নাগাদ সেখানে পৌঁছে তারা। ট্রলারটি এখন কোস্টগার্ডের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ট্রলারসহ যাত্রীদের সেন্টমার্টিন উপকূলের দিকে নিয়ে আসা হচ্ছে।
বিগসন চৌধুরী আরও জানান, ট্রলারে থাকা যাত্রীরা জানিয়েছে ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ট্রলারের নাবিকরা ছোট নৌকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। উদ্ধারকারীদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। উপকূলে আনার পর কখন, কিভাবে তারা ট্রলারে উঠল জানা যাবে।
এদিকে একটি সুত্র দাবী করেছে সেন্ট মার্টিন্সের আশেপাশে মিয়ানমার সীমান্তে আরো তিনটি যাত্রীবাহী ট্রলার অবস্থান নিয়েছে। তবে বিয়টি কোস্ট গার্ড এখনো নিশ্চিত না করলেও সাগরে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ ষ্টেশনের পেটি অফিসার ফরিদুজ্জামান ফরিদ।

মতামত