টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মি. ‘SM-1805’: সে যেন এক মানব, সযতনে তুলে দিল ফুলমালা

_DSC1080চট্টগ্রাম, ০৭ মে এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) : সে যেন এক মানব। তার আগমনী ঢংয়ে বাহাদুরি ভাব। বুক চিতিয়ে দৃঢ়চেতা চলা তার। লাল গালিচায় এগুচ্ছে তার পা-গাড়ি। মৃদুপায়ে সযতনে ধরা ফুলমালা। সফল পদক্ষেপে সংক্ষিপ্ত পথচলা হলো সারা। প্রসারিত হলো সমদ্বিবাহু। এবার নেমে প্রসারিত বাহু নেমে পড়লো কাজে। বয়ে আনা ফুলহার এবার হলো সমর্পন। তুমুল করতালিতে সিক্ত হলো মি. ‘SM-1805’। ফুল পেয়ে আনন্দিত অতিথি। ফুল তুলে দেয়া দেখে উচ্ছ্বসিত একটি মিলনায়তন।

অনুষ্ঠানস্থল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। আজ ০৭ মে, বৃস্পতিবার সকাল। কেন্দ্রিয় মিলনায়তনে হাজারখানেক চোখে মুদ্ধতা। করতালিতে ‘ধন্য ধন্য’ রব। ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: জাহাঙ্গীর আলম। স্নেহের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তিতে আপ্লুত অভিভাবক বললেন, ‘বাহ্!, সাবাস!!, এভাবেই এগিয়ে যেতে হয়, এগিয়ে যাও আরো অনেকদূর, তোমাদের পাশে থাকবে চুয়েট।’ এই বিশেষ চমকের জন্য ধন্যবাদ পেল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। আর স্পেশাল ধন্যবাদ পেয়েছে রোবটটির উদ্ভাবক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ‘১২ ব্যাচের ছাত্র মি. মইনুল হাসান।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. বদিউস সালাম, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজি’র ডিরেক্টর প্রফেসর ড. মো: তাজুল ইসলাম, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো: আব্দুল ওয়াজেদ, উক্ত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গং. সুমনা বিশ্বাস।

রোবটির উদ্ভাবক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ‘১২ ব্যাচের ছাত্র মি. মইনুল হাসান বলেন, ‘‘এই রোবটের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি এবং অটোনোমাস দুইভাবেই কাজ করা যায়। এটি যেখানে মানুষ পোৗছাতে পারে না সেখানে গিয়েও কাজ করতে পারবে। দূরের কোন জায়গা থেকে ইমেজ প্রসেসিং, ভিডিও ক্লিপিং প্রভৃতি কাজ এর মাধ্যমে করা যায়।’’

মতামত