টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বায়েজিদে দুই পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ: আহত ১০, ৩ পুলিশ গুলিবিদ্ধ

চট্টগ্রাম, ৩০ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):  নগরীর বায়েজিদ থানার শেরশাহ কলোনি এলাকায় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে  দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধসহ উভয় গ্রুপের ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বায়েজিদ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন ফরিদ আহমেদ ও মাহবুবুল আলম।

নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্র দখলের জের ধরে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কিন্তু নির্বাচনে দুই প্রার্থীই পরাজিত হন।

নির্বাচনের পরের দিন বুধবার রাতে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী মেহেদী হাসান বাদলের বাসভবন লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে।

এসময় এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় মেহেদী হাসান বাদল ও পলিটেকনিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে ৪-৫’শ নেতাকর্মী কাউন্সিলর প্রার্থী মাহবুবুল আলমের বাসায় হামলা করতে যায়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মাহবুবুল আলমের সমর্থকরাও জড়ো হয়। এসময় উভয় পক্ষ ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং প্রায় ১০/১৫ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে।

এতে তিন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধসহ উভয় গ্রুপের ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশও বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শেরশাহ কলোনি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যরা হলেন বায়েজিদ থানার উপ পরিদর্শক সায়েম, সহকারী উপ পরিদর্শক সঞ্জিব ও কনস্টেবল মানিক।

গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র বণিক  বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেরশাহ কলোনি এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

মতামত