টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চসিক নির্বাচনে ফ্যাক্টর হতে পারে যে বিষয়গুলো

cccচট্টগ্রাম, ২৭ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):: কে বসবেন নগরপিতার আসনে এ নিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামজুড়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। নগরীর সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আলোচনার মূল বিষয় পরবর্তী নগরপিতা কে নির্বাচিত হচ্ছেন। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে কোন কোন বিষয়গুলো ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এদিকে প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এসে প্রধান দুই হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রার্থীরা যে যার মতো করে ভোটারদের নিজেদের জালে ভিড়াতে নতুন নতুন কূটকৌশল ঠিক করছেন। দিচ্ছেন বিভিন্ন ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিশ্রুতিও।

চট্টগ্রাম নগরীকে স্বপ্নের মেগাসিটি বানানোর আওয়াজ তুলে দিন-রাত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দীন। নগরীর অলিগলি ঘুরে প্রথমবারের মতো তিনি ভোটারদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। এদিকে অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ দিতে দ্বিতীয়বারের মতো নগরবাসীর কাছে ভোট চাইছেন সদ্য বিদায়ী মেয়র বিএনপি সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী এম মনজুর আলম। বিগত চসিকের নির্বাচনগুলোতে জয়-পরাজয়ের জন্য যে বিষয়গুলো মূল নিয়ামক ছিল সে নিরিখে এবারও কিছু কিছু বিষয় ওঠে আসছে বিশ্লেষকদের আলোচনার তুঙ্গে। সেগুলো হতে পারে এবারের নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার মূল নিয়ামক।

আবারও মূল ইস্যু জলাবদ্ধতা
গত নির্বাচনের মতো এবারের নির্বাচনেও মূল ইস্যু বন্দরনগরীর প্রধান নাগরিক সমস্যা জলাবদ্ধতা। গত চসিক নির্বাচনে এ জলাবদ্ধতা ইস্যুকে পুঁজি করেই বিপুল ভোটে ওয়ার্ড কমিশনার পদ থেকে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন মেয়র মহিউদ্দীন চৌধুরীর একসময়ের শিষ্য এম মনজুর আলম। ওই নির্বাচনে মনজুর আলমের প্রধান ইশতেহার ছিল নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করা। কিন্তু পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেও নগরবাসীর এ প্রধান সমস্যার কোনো সুরাহা করতে পারেননি সদ্য বিদায়ী এই মেয়র।

এদিকে সম্প্রতি স্বল্প বৃষ্টিতে নগরী হাঁটু পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আবারও নগরবাসীর স্মরণে আসে এই প্রতিশ্রুতির কথা। তাই এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় এই ইস্যুটিকে নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় আছেন মনজুর আলম। কিন্তু অতীতে ক্ষমতার কোনো দায়ভার না থাকায় জলাবদ্ধতা ইস্যুটি নিয়ে বেশ সুবিধায় রয়েছেন আ জ ম নাছির উদ্দীন। আর তাই নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের এ সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি। বিশ্লেষকরা বলছেন, পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেও নগরবাসীর জলাবদ্ধতার কোনো সুরাহা না করায় এবারের নির্বাচনে মনজুরকে পূর্বসূরি মহিউদ্দীন চৌধুরীর ভাগ্যবরণ করতে হতে পারে।

চসিক নির্বাচনে ফ্যাক্টর হতে পারে যে বিষয়গুলো

উভয় শিবিরে সন্দেহ ও অবিশ্বাস
এবারের চসিক নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাবেন এ ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দীন চৌধুরী। সে লক্ষ্যে আগেভাগেই নির্বাচনের প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এবারও তার দলের একসময়ের শিষ্যের কাছে হারতে হলো চট্টগ্রামের বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদকে। দলের টিকিট পেলেন নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। নির্বাচনে মনোনয়ন না পেলেও দলের সভানেত্রীর সিদ্ধান্তকে সম্মান দেখিয়ে সবকিছু ভুলে নাছির উদ্দীনের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন মহিউদ্দীন চৌধুরী। এমনকি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিবের দায়িত্বও নিয়েছেন নিজ ইচ্ছায়। কিন্তু মহিউদ্দীন চৌধুরী ও তার অনুসারীদের নির্বাচনী কর্মকা-ের ভূমিকা নিয়ে নাছির শিবিরে যথেষ্ট সন্দেহ ও সংশয় আছে।

সিটি নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের আগে মহিউদ্দীন চৌধুরী মাঠে সক্রিয় থাকলেও আ জ ম নাছির উদ্দীনকে প্রার্থী ঘোষণার পর নির্বাচনী মাঠে মহিউদ্দীন চৌধুরী ও তার অনুসারীদের তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। মহিউদ্দীন চৌধুরী ও তার অনুসারীরা নিয়ম রক্ষার কিছু কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করলেও অতীতের নির্বাচনের মতো মাঠে তেমন সক্রিয় নন বলে মনে করছেন অনেকে। নগর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মীই মনে করছেন, দলের প্রতি আনুগত্য দেখাতে মহিউদ্দীন চৌধুরী আ জ ম নাছিরের প্রকাশ্যে বিরোধিতা না করলেও ভেতরে ভেতরে এ সমর্থন নাছিরের পক্ষে থাকবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ ও অবিশ্বাস রয়েছে। আ জ ম নাছির যাতে মেয়র নির্বাচিত হতে না পারেন সেজন্য ভেতরে ভেতরে যা যা করার তার সব চেষ্টাই করবেন মহিউদ্দীন চৌধুরী ও তার অনুসারীরা¬ এমনই কথা ঘুরপাক খাচ্ছে নগরবাসীর কাছে।

এদিকে বিএনপির সমর্থন পাওয়া সদ্য বিদায়ী মেয়র এম মনজুর আলমকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে পারেনি নগর বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা। নেতা-কর্মীদের ভাষ্য, বিগত মেয়র নির্বাচনের আগে বিএনপিতে যোগ দিয়ে মেয়র নির্বাচিত হলেও বিএনপির কোনো সাংগঠনিক কাজে পাওয়া যায়নি মনজুর আলমকে। এমনকি বিগত আন্দোলন-কর্মসূচিতেও কোনো ভূমিকা ছিল না মনজুর আলমের। দলের একটি অংশ চেয়েছিল নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী তরুণ নেতা ডা. শাহাদাত হোসেনকে মেয়র প্রার্থী করতে। কিন্তু নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আবারও বিএনপির সমর্থন পেয়েছেন এম মনজুর আলম। দলের এ সিদ্ধান্তকে এখনো মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না ডা. শাহাদাত ও তার অনুসারীরা। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে নগরীতে লাগাতার বিক্ষোভও করেছিলেন তারা।

এদিকে মনজুর আলমের পক্ষে চট্টগ্রাম বিএনপির দুই সিনিয়র নেতা সাবেক দুই মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে মাঠে সক্রিয় দেখা গেলেও বিএনপির তৃণমূলের অনেক কর্মী-সমর্থককে তার পক্ষে সক্রিয়ভাবে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত যদি দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনজুরের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে না থাকেন তাহলে ভোটের হিসাব পাল্টে যেতে পারে।

ফ্যাক্টর হিন্দু ও নতুন ভোটার
চসিক নির্বাচনে গতবারের মতো এবারও জয়-পরাজয়ের মূল নিয়ামক সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের ২ লাখ ১৮ হাজার ভোটার। এ ভোটাররাই মেয়র প্রার্থীর জয়- পরাজয় নির্ধারণ করবেন। গত নির্বাচনে মূলত মহিউদ্দীন চৌধুরী মনজুর আলমের কাছে ৯৫ হাজার ভোটে পরাজিত হওয়ার পেছনে ভূমিকা ছিল সনাতনী সম্প্রদায়ের সমর্থন। নগরীর নন্দনকাননস্থ অপর্ণা চরণ ও কৃষ্ণকুমারী স্কুলে জোর করে মার্কেট নির্মাণ, মেহেদীবাগের পশুশালার মূল্যবান সম্পত্তি দখল কেন্দ্র করে তৎকালীন মেয়র মহিউদ্দীন চৌধুরীর সঙ্গে সনাতনী সম্প্রদায়ের চরম দ্বন্দ্ব ও দূরত্ব তৈরি হয়। এতে গত চসিক নির্বাচনে পুরোপুরি প্রভাব পড়ে। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এবারের নির্বাচনে নাগরিক কমিটির প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে সনাতনী সম্প্রদায়ের তেমন কোনো বিরোধ নেই। তাছাড়া তিনি দীর্ঘদিন ধরে সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন। এই নির্বাচনে সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতারা জোরেশোরে মাঠে নেমেছেন আ জ ম নাছিরের পক্ষে। সনাতনী সম্প্রদায়ের ভোটব্যাংক এবার নাছিরের ভাগ্যে জুটবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। হিন্দ-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা বলছেন, যিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে বিশ্বাস করেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মুক্ত সংস্কৃতি চর্চার সঙ্গে জড়িত তার পক্ষেই থাকবে সনাতনী সম্প্রদায়ের ভোট।
এছাড়াও এবার চসিক নির্বাচনে নতুন ও তরুণ ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটার প্রায় ৭৬ হাজার। যাদের আকৃষ্ট করতে নাগরিক কমিটির প্রার্থী আ জ ম নাছির নির্বাচিত হলে নগরীর সর্বত্র ওয়াইফাই জোন করার ঘোষণা দিয়েছেন। তাছাড়া নগরীর বিপদগামী তরুণদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণের প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। অন্যদিকে এ থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছেন উন্নয়ন আন্দোলনের প্রার্থী মনজুর আলম। নির্বাচনী ইশতেহারে নাছির তরুণদের বিশেষভাবে প্রাধান্য দিলেও মনজুর আলম তরুণদের নিয়ে ভিন্ন কোনো চমক দেখাতে পারছেন না।

প্রচারণায় এগিয়ে নাছির
বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনজুর আলমের চেয়ে প্রচার- প্রচারণায় অনেকটা এগিয়ে আছেন আ জ ম নাছির। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা চট্টগ্রামে এসে নগরীর নেতা-কর্মীদের নিয়ে কয়েকটি টিমে ভাগ হয়ে নগরজুড়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও ধর্মীয় সংগঠনকেও আ জ ম নাছিরের পক্ষে প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে দেখা যাচ্ছে। মহিলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে নারী ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন নাছিরের পক্ষে। তাদের সঙ্গে আ জ ম নাছিরের সহধর্মিণীসহ পরিবারের অনেক মহিলা সদস্যও অংশ নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে অনেকটা পিছিয়ে আছেন মনজুর আলম। কেন্দ্র এবং মহানগরের কিছু নেতা-কর্মী ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণায় আর তেমন কাউকেই পাশে পাচ্ছেন না বিএনপি সমর্থিত এই প্রার্থী।

এদিকে নগরীর তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সরব আ জ ম নাছিরের অনুসারীরা। নাছিরের নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে খোলা হয়েছে নিজস্ব ওয়েবসাইট, বিভিন্ন ফ্যান পেজ ও একাধিক ফেসবুক আইডি। এসব মাধ্যম থেকে নাছিরের পক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য নিয়মিত তুলে ধরছেন। অন্যদিকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনজুর আলমের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দু-একটি ফ্যান পেজ খোলা হলেও নাছিরের মতো তেমন কোনো প্রচার-প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

নীরবে তৎপর জামায়াত
চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াত কোনো প্রার্থী না দিয়ে তাদের জোটের প্রধান শরিক বিএনপির প্রার্থী মনজুর আলমকে সমর্থন দিয়েছে। জামায়াত নেতা-কর্মীরা মামলার কারণে গ্রেফতারের ভয়ে প্রকাশ্যে মাঠে সক্রিয় না থাকলেও ভেতরে ভেতরে জোরালোভাবে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় রাজনীতিতে জামায়াত কোণঠাসা থাকলেও চট্টগ্রাম নগরীতে তাদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অবস্থান রয়েছে। এ কারণে চসিক নির্বাচনে তাদের ভোটব্যাংক মনজুরের পক্ষেই যাবে। এদিকে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বলছেন, যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতের ভোট নিয়ে তারা মোটেও চিন্তিত নই। চট্টগ্রামবাসী তাদের অতীতেও প্রত্যাখ্যান করেছ, এবারও করবে।

তৎপর ব্যবসায়ীরাও
বন্দরনগরীর প্রধান দুই হেভিওয়েট মেয়র প্রার্থী পেশায় ব্যবসায়ী হওয়ায় চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরাও তৎপর নির্বাচন নিয়ে। তারা কেউ প্রকাশ্যে কেউ ভেতরে ভেতরে নিজ নিজ পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে ব্যবসায়ী সংগঠনের অনেক নেতাকে প্রার্থীদের পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচার-প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এখন দেখার অপেক্ষা দেশের অর্থনীতির মূল নিয়ন্ত্রক এই বন্দরনগরীর নগরপিতার চাবি কার হাতে যাচ্ছে। আগামীতে চট্টগ্রামের নাগরিকরা এমন একজন মেয়র নির্বাচিত করবেন যিনি নগরবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবেন এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তারা। -সাপ্তাহিক এই সময়-এর সৌজন্যে।

One comment

মতামত