টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চসিক নির্বাচন: তরুণ ভোটারই ‘ফ্যাক্টর’

cccচট্টগ্রাম, ২৭ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস)::  চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সোয়া লাখ নতুন ভোটারই জয়-পরাজয়ে ‘ফ্যাক্টর’ হবেন বলে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আর নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা নানা উদ্যোগও নিয়েছেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে এবার ভোটার বেড়েছে প্রায় সোয়া এক লাখ, যাদের অধিকাংশই তরুণ। গেল বারে অর্থাৎ ২০১০ সালের ১৭ জুনের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মনজুর আলম আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ৯৫ হাজার ৫২৮ ভোটের ব্যবধানে হারান।সে হিসেবে এবারও ঘুরেফিরে সোয়া এক লাখ ‘তরুণ’ ভোটারই মেয়র নির্বাচনের জয় পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখবেন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

গত বারের নির্বাচনের পর ২০১২ ও ২০১৪ সালে দুদফা ভোটার তালিকা হালনাগাদ হয়। এরপর চট্টগ্রাম নগরে এবারে ভোটার হয়েছে ১৮ লাখ ১৩ হাজার ৪৪৯ জন।২০১০ সালে নগরের ভোটার ছিল ১৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৬ জন। দুই হালনাগাদে ভোটার বেড়েছে মোট এক লাখ ২৪ হাজার ৭৭৩ জন। ২০০৫ সালের সিটি নির্বাচনে বন্দরনগরীর ভোটার সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ লাখ ৩৮ হাজার।

চট্টগ্রামের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শফিকুর রহমান বলেন, দুই মেয়াদে হালনাগাদ হওয়ার পর যারা ভোটার হয়েছেন, তাদের অধিকাংশই নতুন ভোটার এবং তাদের বয়স ১৯ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, যারা গত পাঁচ বছরে নতুন ভোটার হয়েছেন তাদের অধিকাংশই শিক্ষিত এবং সমাজ-রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন। তরুণরা সৎ, যোগ্য, আধুনিকমনস্ক এবং প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলা প্রার্থীকেই প্রাধান্য দেবেন। নগর ভবন পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যক্তির যোগ্যতাও বিবেচনা করবেন তরুণরা।

দেলোয়ার মজুমদারের মতে, এসব ভোটাররাই মেয়র পদে জয়-পরাজয়ে ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন।

নতুন আরেক ভোটার শারমিন আহমেদ বলেন, প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, সততা এবং নগরীর উন্নয়নে তার কমিটমেন্টকে প্রাধান্য দেব।

তরুণ ভোটারদের চিন্তাকে গুরুত্ব দিয়ে চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচনে প্রধান দুই মেয়রপ্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দিন ও মনজুর আলম তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং সেখানে আধুনিক ইন্টারনেট সুবিধাসম্বলিত ওয়াই-ফাই জোন করার কথা বলেছেন।

অধিকাংশ প্রার্থী তাদের নির্বাচনী কর্মকাণ্ড নিয়ে পৃথক ওয়েবসাইটও খুলেছেন। এছাড়া প্রার্থীরা মোবাইল ফোন থেকে তাদের পক্ষে ভোট চেয়ে এসএমএসও দিচ্ছেন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত