টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আমাদের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে : সংবাদ সম্মেলনে খসরু

Ctg-Bnpচট্টগ্রাম, ২৬ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):: বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সিটি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে সরকারি দল ও সরকারের আইনশৃংখলা বাহিনী এক সাথে মিলে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে বলে অভিযোগ করে  বলেন, ‘বিশ্ববাসী গভীর আগ্রহ নিয়ে এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে। আমরা অসম একটি অবস্থা থেকে এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলে রয়েছে। অনেক ভয়ভীতি বাধা উপক্ষো করে আমরা নির্বাচনী কর্মকা- পরিচালনা করছি। প্রচারণা শুরুর পর থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামের জনগণ আমাদের পক্ষে রয়েছে। আমাদের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।’

রোববার সকালে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে বিএনপির সমর্থিত মনজুর আলমের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আমীর খসরু  বলেন, ‘এই গণজোয়ার দেখে সরকার দমন-নীপিড়ন শুরু করেছে। আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা ভাগ হয়ে কেউ সিলিলে বা কেউ পোশাক পরে নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা মামলা না থাকলেও নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। ঘরে না ফেলে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করছে। ইতোমধ্যে তারা কেন্দ্র কমিটির প্রায় ২০ জন আহ্বায়ককে গ্রেপ্তার করেছে।’

এনিয়ে ইতোমধ্যে রিটার্নিং অফিসারকে নিজে সশরীরে গিয়েও অভিযোগ দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না বলে জানান তিনি।

খসরু বলেন, ‘ইতোমধ্যে নগরীর হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস ও বাসাবাড়ী দখল হয়ে গেছে। বেশ কয়েটি কেন্দ্র ভোটের এই কদিন আগে থেকেই তারা দখল করে ফেলেছে। প্রিসাইডিং অফিসারদের টাকার লোভ দেখানো হচ্ছে। ভয়ভীতি দেখনো হচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে।’

সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, ‘এখন সরকার ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে এ নির্বাচন হচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা সাংবাদিকদের কাছে একান্ত সহযোগিতা চাই। কেননা এই স্বৈরচারী সরকার হিটলারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দেশ শাসন করছে।’

ভোটারদের প্রতি খসরু বলেন, ‘আমাদের অনুরোধ, আপনারা যদি এই চট্টগ্রামে সন্ত্রাসমুক্ত দেখতে চান, বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নগরী দেখতে চান তাহলে আগামী ২৮ এপ্রিল সব বাধা দূর করে যে কোন ভাবেই ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে কমলা লেবুর বিজয় সুনিশ্চিত করবেন।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা ও এলডিপি চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব) অলি আহম্মেদ বীর বিক্রম, বিএনপির কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দাকার, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, কেন্দ্রিয় সদস্য মাহবুবুর রহমান শামীম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম, নগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

মতামত