টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে খালেদা জিয়া উস্কানি দিচ্ছে, চট্টগ্রামে ড. হাছান মাহমুদ

unnamedচট্টগ্রাম, ২৩ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):: আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন সিটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে খালেদা জিয়া উস্কানি দিচ্ছেন। ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে সমগ্র দেশে যে উৎসব উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে সেই উৎসবকে নষ্ট করে সিটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি জামায়াত গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। অপরদিকে চট্টগ্রামের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনজুর আলম বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনায় ৫৪ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়ে চট্টগ্রামবাসীর সাথে ভাওতাবাজি করেছেন বলেও অভিযোগ করেন ড. হাছান মাহমুদ।

ড. হাছান বলেন, মনজুর আলম ২০১০ সালে যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করেননি। সেইসব প্রতিশ্রুতি আবার পুর্নব্যক্ত করার অর্থ ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়।

ড. হাছান মাহমুদ এমপি বৃহস্পতিবার সন্ধায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া নিরাপত্তা বাহিনী এমনকি তার দলের নেতাকর্মীদেরও অবহিত না করে নির্বাচনী প্রচারনার নামে আচমকা ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন। তিনি গত তিন মাসের বেশী সময় ধরে দিনের পর দিন হরতাল এবং অবরোধ ডেকে ঢাকা এবং চট্টগ্রামের মানুষসহ সমগ্র দেশের মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। মানুষ তার ডাকে সাড়া না দেওয়ায় তিনি নির্বিচারে মানুষের উপর পেট্রোল বোমা এবং ককটেল বোমা নিক্ষেপ করেছেন। সাধারন মানুষের উপর আক্রমন পরিচালনা করেছেন। তার নিক্ষিপ্ত পেট্রোল বোমা ও ককটেল বোমার আঘাতে ১৭০ জনের বেশী নিরীহ সাধারন মানুষ অসহায় ভাবে মৃত্যুবরন করেছে। পৃথিবীর কোথাও সমসাময়িককালে রাজনীতির নামে এমন নৃশংসতা বা সহিসংতার ঘটেনি। “বেগম খালেদা জিয়া” এখন সাধারন মানুষের কাছে একটি মূর্তিমান আতংকের নাম । তিনি এখন দেশের সাধারন মানুষের কাছে নিষ্ঠুরতা, সহিংসতা, জঙ্গিতৎপরতার প্রতীক। দেশের শান্তিকামী সাধারন মানুষ তার উপর প্রচন্ডভাবে বিক্ষুব্ধ। তাই তিনি গত কয়েকদিন ধরে যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই বিক্ষোভ এবং বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। খালেদা জিয়াকে দেখলেই সাধারন মানুষ উত্তেজিত হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, সাধারন মানুষকে উত্তেজিত করার হীন উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি উস্কানীমূলকভাবে বিভিন্ন জায়গায় হুটহাট বেরিয়ে পড়ছেন এবং উস্কানীমূলক ও মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য দিচ্ছেন। গতকালকে বাংলামোটরের ঘটনাও তিনি উস্কানীমূলকভাবে ঘটিয়েছেন। যখন বাংলামোটর এলাকাায় খালেদা জিয়ার গাড়ীবহর দেখে জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল তখন তার গাড়ীবহর দু’জন বিক্ষোভকারীকে গাড়ীচাপা দেয়ার কারনেই সেখানে বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রকৃতপক্ষে তিনি এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে সিটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন বেগম খালেদা জিয়া এখন দেশের সাধারন মানুষের কাছে একটি মূর্তিমান আতংকের নাম। তিনি এখন দেশের সাধারন মানুষের কাছে নিষ্ঠুরতা, সহিংসতা, জঙ্গিতৎপরতার প্রতীক। দেশের শান্তিকামী সাধারন মানুষ তার উপর প্রচন্ডভাবে বিক্ষুব্ধ। কোন হিং¯্র প্রাণী যখন লোকালয়ে আসে তথন সাধারন মানুষ বিক্ষুদ্ধ ও উত্তেজিত হয়। একই ভাবে খালেদা জিয়া যখন শহরের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছেন, যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই বিক্ষোভ এবং বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। খালেদা জিয়াকে দেখলেই সাধারন মানুষ উত্তেজিত হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, সাধারন মানুষকে উত্তেজিত করার হীন উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি উস্কানীমূলকভাবে বিভিন্ন জায়গায় হুটহাট বেরিয়ে পড়ছেন এবং উস্কানীমূলক ও মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য দিচ্ছেন। গত বুধবার বাংলামোটরের ঘটনাও তিনি উস্কানীমূলকভাবে ঘটিয়েছেন। যখন বাংলামোটর এলাকায় খালেদা জিয়ার গাড়ীবহর দেখে জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিল তখন তার গাড়ীবহর দু’জন বিক্ষোভকারীকে গাড়ীচাপা দেয়ার কারনেই সেখানে বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রকৃতপক্ষে তিনি এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে সিটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান।

ড. হাছান মাহমুদ বেগম খালেদা জিয়াকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যে জনগনকে পুড়িয়ে মেরেছেন, সেই জনগনের কাছে নি:শর্ত ক্ষমা চান।

প্রকৃতপক্ষে গত সোয়া ছয় বছরে পুরো ঢাকা এবং চট্টগ্রামের চেহারা পাল্টে গেছে। চট্টগ্রাম শহরে বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভার নির্মিত হয়েছে এবং হচ্ছে। কর্ণফুলীর নদীর তলদেশে দিয়ে টানেল নির্মাণের কাজও শুরু হচ্ছে। সরু রাস্তাগুলো এখন চারলেনের প্রশস্ত রাস্তায় রূপান্তরিত হয়েছে। যে মানুষটি ছয় বছর আগে চট্টগ্রাম শহর ছেড়ে বিদেশে গেছে, সে যদি এখন চট্টগ্রাম শহরে ফিরে তার পক্ষে চট্টগ্রাম শহরের অনেক এলাকা চেনা সম্ভবপর হবেনা, কারণ শহরটি বদলে গেছে। ঢাকা শহরের যে হাতিরঝিল ছিল নোংরা আবর্জনা এবং পুতিগন্ধময় এলাকা, যেখানে মানুষ নাকে রুমাল দিয়ে হাটতে বাধ্য হতো, সেই হাতিরঝিল এখন শুধু ঢাকা নয় উপমহাদেশের শহরগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। সেখানে গেলে মনে হবে ঢাকা নয় যেন সিডনীর হারবারের অপেরা হাউজ এলাকা। আকাশ থেকে ঢাকা শহরের ফ্লাইওভারগুলি যদি কেউ দেখে, সে ভূল করে ভাবতে পারে এটি ঢাকা নয়, হংকং সিংগাপুর। ঢাকা শহরে মেট্রোরেলের কাজ শুরু হয়েছে। অথচ বেগম খালেদা জিয়া এই ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে গাড়ী চালিয়ে গিয়ে হাতিরঝিল এলাকা ঘুরে বললেন ঢাকা শহরের কোন উন্নয়ন হয় নাই। এমন জঘন্য মিথ্যাচার বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষেই সম্ভব। তার এই জঘন্য মিথ্যাচারে অনেকের মনে হতে পারে তিনি মানসিকভাবে সুস্থ আছেন কিনা। স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা বেগম জিয়ার চোখ, কান এবং বোধশক্তি যেন ঠিক করে দেয়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনজুর আলম প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মনজুর আলম বৃহস্পতিবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনায় ৫৪ দফা প্রতিশ্রুতি গিয়ে চট্টগ্রামবাসীর সাথে ভাওতাবাজি করেছেন। ২০১০ সালে যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করেননি। সেইসব প্রতিশ্রুতি আবার পুর্নব্যক্ত করার অর্থ ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। বি.এন.পি নেতা মঞ্জুর আলম মঞ্জু সাহেব শুধু গত পাঁচ বছর মেয়র ছিলেন তা নয়, তিনি ওয়ান ইলেভেন থেকে গত সাত বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মেয়রের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের সফলতা হচ্ছে যে শহরটির পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে সারা দেশে সুনাম ছিল সেই শহরটিকে তিনি নোংরা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিনত করেছেন। চট্টগ্রাম শহরের যেখানে কখনও পানি উঠে নাই, সেখানে এখন একটু বৃষ্টি হলেই হাটু এবং কোমর পানি হয়। লোকে এখন বলে “নদীর নাম প্রবর্তক মোড়, পানি উঠে এক কোমর”। তার সফলতা হচ্ছে আমাদের নেতা এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী মেয়র থাকাকালীন গরীব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রসারিত করে যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, মঞ্জুর আলম সাহেব সিটি কর্পোরেশনের সেই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রায় বন্ধই করে দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যে রাস্তাগুলো নির্মান করে সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তর করেছে, সেই রাস্তাগুলো মেরামত করতেও তিনি প্রচন্ড ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে এমন ব্যর্থ মেয়র শুধু চট্টগ্রামবাসী নয় পুরো দেশ কখনো দেখেছে কিনা সন্দেহ।

ড. হাছান মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন মঞ্জুর আলম সাহেব শুধু যে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তা নয়, তার সময়ে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনাও ছিল আকাশচুম্বী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে তাকে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন ও একটি ট্রাক টার্মিনাল নির্মানের জন্য ১১৭ কোটি টাকা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু চট্টগ্রামে জলবদ্ধতা নিরসনও হয়নি এবং ট্রাক টার্মিনালও সিটি কর্পোরেশন নির্মান করেনি। চট্টগ্রামের মানুষ এই টাকার হিসাব চায়। তাকে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য দুটি লং-বুম স্কেভেটর কিনে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেই লং-বুম স্কেভেটরের কোন সদ্ব্যবহার করতে পারেননি। তাকে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম শহরের ধুলাবালি পরিষ্কার করার জন্য দুটি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার সুইপিং ট্রাক কিনে দেয়া হয়েছিল। সেই দুটি সুইপিং ট্রাক চট্টগ্রামের মানুষ রাস্তায় কখনো দেখতে পায়নি।

গত পাঁচ বছরে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে শত শত কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন মনজুর আলম। শুধুমাত্র স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকেই প্রায় সাড়ে ৪শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন। তিনি সরকারের কাছ থেকে যেই পরিমান বরাদ্দ পেয়েছেন, এ.বি.এম মহিউদ্দিন মেয়র থাকাকালীন সরকারের কাছ থেকে এত বরাদ্দ পাননি। মানুষ এই শত শত কোটি টাকার হিসাব চায়।

মঞ্জুর আলমের সমর্থক ক্যাম্প নিয়মিতভাবে রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে বিভিন্ন ধরনের ভূয়া, বানোয়াট ও পরিকল্পিত অভিযোগ দিয়ে তার ব্যর্থতা যারা তুলে ধরছেন তাদেরকে এবং নির্বাচনী কাজের সাথে যুক্ত বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তাদেরকেও ঘায়েল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। ড. হাছান মাহমুদ রিটার্নিং অফিসারকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বি.এন.পি জামায়তের এই অপকৌশল সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। যারা এই ধরনের বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগ করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

ঢাকা ও চট্টগ্রামের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন বিএনপি- জামায়তের শত ষড়যন্ত্র সত্বেও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে একটি সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যেভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তিনটি ম্যাচে পাকিস্তান দলকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করেছে ঠিক তেমনিভাবে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ দোসর বেগম খালেদা জিয়ার সমর্থিত প্রার্থীরাও তিনটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পরাজিত হবে। ড. হাছান মাহমুদ চট্টগ্রামবাসীকে চট্টগ্রাম উন্নয়নের স্বার্থে মেয়র মঞ্জুর আলমকে প্রত্যাখান করে, তারুন্য এবং উন্নয়নের প্রতীক আ.জ.ম নাছিরকে হাতি মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার অনুরোধ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক রাষ্ট্রদূত নুরুল আলম চৌধূরী, দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগৈর সভাপতি মোছলেম উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক ও উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ ছালাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম, উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বদিউল আলম তালুকদার, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠিনক সম্পাদক বদিউল আলম বদি, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য শফিকুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা আকতার হোসেন খান, যুবলীগ নেতা শেখ ফরিদ চৌধুরী, ড. হাছান মাহমুদের ব্যাক্তিগত সহকারী এনায়েতুর রহিম, যুবলীগ নেতা শেখর বিশ্বাস, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব, মনজুর হোসেন মঞ্জু, মোহাম্মদ ইউনুছ প্রমুখ।

মতামত