টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সিজেকেএসেই ঘোষণা হবে ভোটের ফলাফল

ccc-Copy1চট্টগ্রাম, ২২ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):  চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের আপত্তি থাকলেও সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বরাবরের মত এবারো চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার (সিজেকেএস) জিমনেশিয়ামকে নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জিমনেশিয়ামকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ হিসেবে রাখা হলেও ভোটের ফলাফল ঘোষণায় এবার এম এ আজিজ স্টেডিয়ামকেই বেছে নেয়া হয়েছে। সেখান থেকে মোট ১৪টি কর্ণার থেকে ঘোষণা করা হবে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের ৭১৯ কেন্দ্রের ফলাফল।

বুধবার দুপুরে নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত আইন-শৃংখলা কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে একথা জানান রিটানির্ং অফিসার আব্দুল বাতেন।

যদিও গত মঙ্গলবার বিকেলে তার সাথে দেখা করে বিএনপি সমর্থিত মনজুর আলমের পক্ষে বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সিজেকেএস’র ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে ছিলেন। তিনি এর বিকল্প হিসেবে পাঁচলাইশ জাতীয় সংঘপার্ক জিমনেশিয়াম, সার্কিট হাউস ও জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের নীচ তলার নাম প্রস্তাব করেছিলেন।

এ বিষয়ে বাতেন বলেন, ‘এক প্রার্থীর পক্ষ থেকে আপত্তি করায় আমার উনাদের প্রস্তাবিত তিনটি স্থানই পরিদর্শন করেছি। জাতীয় সংঘ পার্কের জিমনেশিয়ামটি এখনো নির্মণাধীন রয়েছে। সার্কিট হাউসে স্থান সংকুলান হবে না আর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ একটি ধর্মীয় প্রতিষ্টান হওয়ায় সেদিকে আমরা যেতে চাচ্ছিনা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্থান সংকুলানসহ অতীত কাজের অভিজ্ঞতা থেকে জিজেকেএসের জিমনেশিয়ামকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এবার ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে নির্মিত ১৪টি কর্ণার থেকে।’

তিনি বলেন, ‘২৭ এপ্রিল থেকে স্টেডিয়াম এলাকার সব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। ভোট গ্রহণের ৭২ ঘন্টা আগে থেকে পুরো স্টেডিয়াম এলাকা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়া হবে। এদিন থেকে ২৮ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত নির্বাচনী কাজে অনুমদিত ব্যক্তিরা ছাড়া কেউ এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেনা। কাজীর দেউড়ি, নেভাল, সিআরবি সাত রাস্তার মোড়, চট্টগ্রাম ক্লাব পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ থাকবে।’

বাতেন আরো বলেন, ‘প্রতিটি স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এদের মধ্যে ১৪০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন।’

বৈঠকের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘২৫ এপ্রিল রাত ১২টার রাত থেকে কোন বহিরাগত সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী এলাকায় থাকতে পারবেনা। তারা যদি কোনভাবে হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউসে অবস্থান করেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে এসব স্থানে অভিযান চালানো হবে।’

নিয়ম অনুযায়ী ভোট গ্রহণের ৩৮ ঘন্টা আগে থেকে প্রচারণা বন্ধ করতে হয় উল্লেখ করে বাতেন বলেন, ‘২৬ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ করতে হবে। মাইকিং, ঘরে ঘরে গিয়ে গণসংযোগ, রাস্তায় গাড়িতে গণসংযোগসহ সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ থাকবে। বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিংয়ের জন্য আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলা হয়েছে। কেউ যদি বিষয়টি দেখেও ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যান তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেই সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত