টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২০১৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ১১৭

চট্টগ্রাম, ২১ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস): ২০১৪ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে ৮৯৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৭৭ জন নিরীহ যাত্রী ও পথচারী প্রাণ হারিয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আরো ১৭২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিংসেল দেশের গনমাধ্যমে প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে মঙ্গলবার এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঢাকা মহানগরীতে ৬০৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৬০ জন নিহত হয়। চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২৯৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৭ জন নিহত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়- উভয় মহানগরীর ৮৫শতাংশ ফুটপাত হকার ও দোকানীদের দখলে থাকায় এবং মার্কেট ও আবাসিক ভবন গুলোর পার্কিং স্পেস না থাকায় ফুটপাত সংলগ্ন রাস্তার পাশ গাড়ি পাকিংয়ের দখলে থাকায় যাত্রী ও পথচারীরা রাস্তার মাঝ পথে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। এতে বেশির ভাগ দূর্ঘটনায় পথচারীকে গাড়ি চাপায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

এছাড়াও চলন্ত গাড়িতে যাত্রী উঠা-নামা, উভয় যানবাহনের প্রতিযোগিতা, মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা পারাপার ও গাড়ি চালনা, যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহন এক সাথে চলাচল সহ নানা কারনে এসব দূর্ঘটনা ঘটছে বলে প্রতিবেদনে দাবী করা হয়।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী উভয় মহানগরীতে এসব দূর্ঘটনায় পথচারীকে গাড়ি চাপায় ৫৯ শতাংশ, চলন্ত গাড়িতে যাত্রী উঠা-নামায় ১৯ শতাংশ, যানবাহনের প্রতিযোগিতায় ৭ শতাংশ, মোবাইল-হেড ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পারাপার ও গাড়ি চালনায় ৮ শতাংশ, চালকের গাফেলতি সহ অন্যান্য কারনে ৭ শতাংশ দূর্ঘটনা ঘটছে বলে দাবী করা হয়।

সংগঠনের পক্ষ থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ৮ দফা সুপারিশ নামা পেশ করা হয়। চলন্ত গাড়িতে যাত্রী উঠা-নামা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা, ফুটপাত দখল মুক্ত করা, প্রয়োজনীয় রাস্তাপারাপার স্থানে জেব্রা ক্রসিং অংকন করা, যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনের জন্য পৃথক লেইন চালু করা, রাস্তার উপর থেকে মার্কেট ও আবাসিকের যানবাহন পার্কিং কঠোর ভাবে বন্ধ করা, রাস্তা পারাপার ও গাড়ি চালনায় মোবাইল-হেড ফোনে কথা বন্ধ করা, প্রয়োজনীয় স্থানে ফুট ওভার ব্রিজ নির্মাণ করা ও রাস্তার মোড়ে যাত্রী উঠা-নামা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ করা।

মতামত