টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মিরসরাইয়ে কাভার্ডভ্যান ভর্তি চাউল নিয়ে চালক উধাও

মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ২০ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস): মিরসরাইয়ে ৩৩৬ বস্তা চাউল নিয়ে কাভার্ডভ্যান চালক উধাও হয়ে গেছে। চৌমুহনী থেকে মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাটের সততা ট্রেডার্স ও করেরহাটের উত্তরা ট্রেডার্সের চাউল নিয়ে আসার সময় এ ঘটনা ঘটে। অনেক খোঁজাখুঁজি করে কাভার্ডভ্যান ও চালকের হদিস না পেয়ে থানায় একটি অভিযোগ ও একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) নোয়াখালীর চৌমুহনী থেকে ৩৩৬ বস্তা চাউল বোঝায় করে মিরসরাইয়ের করেরহাট আসার কথা থাকলেও এখনো পর্যন্ত কাভ্যার্ডভ্যানটির হদিস পাওয়া যায়নি।

সসতা ও উত্তরা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেল চারটায় নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজারের দেলোয়ার অটো রাইচমিল থেকে ৫০ কেজির ৩৩৬ বস্তা চাউল নিয়ে একটি কাভার্ডভ্যান (নং ঢাকা মেট্টো ট ১৬-৪৫৪৩ কাভাড্যভ্যানের পেছনে লেখা রয়েছে মন্ডল ট্রান্সপোর্ট, রাজু এন্টার প্রাইজ) রওয়ানা দেয়। ট্রাকটি ভাড়া করে দেয় বেগমগঞ্জের রসুলপুর ট্রান্সপোর্ট। চৌমুহনী থেকে করেরহাট আসতে সময় লাগে দুই ঘন্টা। সন্ধ্যা ৭ টা বাজলেও কাভার্টভ্যানটি না আসায় চালক হৃদয় খানকে ফোন করি। সে তখন ফেনীর মহিপাল পৌছায় বলে জানায়। এরপর রাত ১০ টা পার হয়ে গেলেও ট্রাকটি পৌছায়নি দেখে চালকের মোবাইলে আবার ফোন করি।তখন সে আমাকে জানায় সে ফেনীর মুহুরীগঞ্জ এসে বিকল হয়ে আটকে গেছে। কাভার্ডভ্যানটি মেরামত করে সকালে পৌছাতে হবে রাতে আসা সম্ভব হবেনা। কিছুক্ষণ পরে তার মোবাইলে পুনরায় কল করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। সাথে সাথে আমি মোটর সাইকেল নিয়ে মুহুরীগঞ্জসহ আশপাশের এলাকায় খুঁজে দেখি বিকল হওয়া কোন কাভার্ডভ্যান আমার চোখে পড়েনি। তখন থেকে চালকের ব্যবহত মোবাইলটি (নং ০১৭৬৮১২৬৮৯৫) বন্ধ রয়েছে। মিরসরাই, ফেনী, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে কাভার্ডভ্যানটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, রসুলপুর ট্রান্সপোর্টের সাথে চালকের যোগশাজসে আমার চাউলগুলো ছিনতাই হয়েছে। চাউলের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা জানান তিনি।

দেলোয়ার অটোরাইচমিলের সত্ত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেন বলেন, চাউলগুলো ছিতাইয়ের অভিযোগে রসুলপুর ট্রান্সপোর্টের নামে বেগমগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ (নং ০৬৪৯) ও গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে সাধারন ডায়েরী ( নং ০১৩৩৫) দায়ের করি।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার (দায়িত্বরত কর্মকর্তা) নূপুর কুমার দাশ বলেন, রসুলপুর ট্রান্সপোর্টের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এবং কাভার্ডভ্যান চালকের বিরুদ্ধে একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়। আমরা গাড়ি এবং চালককে পেতে অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

মতামত