টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি তামিমের

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):  কে বলে তার ধারাবহিকতা নেই? গত ম্যাচে ১৩৫ বলে করেছিলেন ১৩২। মিরপুরে তার ব্যাটিং দাপট দেখলো আজও। ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরি হাঁকালেন এদিন। আর টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ঢুকে পড়লেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কাতারে, যিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করে গড়েছিলেন মাইলফলক।

মিরপুরে প্রথম ম্যাচ জিতিয়েছিল তার তুখোড় সেঞ্চুরি। আজও বাংলাদেশের জয়ের নায়ক তামিম। সময়টা যে এখন তামিম ইকবাল খানের।

বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ছাড়া প্রতিটা ম্যাচেই ছিলেন ফ্লপ। চারদিক থেকে সমালোচনার বানে বিন্ধ হতে থাকলেন তামিম। প্রচ- সমালোচনা এবং রাজ্যের চাপ নিয়ে নামলেন প্রথম ওয়ানডেতে। চারদিকে ছক্কা আর বাহারি চারে মাতালেন গ্যালারি। আনন্দে ভাসালেন পুরো দেশকে।

সেই তামিম আবারও জ্বলে উঠলেন। দর্শনীয় সব চারের বন্যায় ভাসালেন মাঠ। প্রথম ম্যাচে প্রথম দিকে নিজেকে একটু গুটিয়ে রেখেছিলেন তামিম। কিন্তু এদিন শুরু থেকেই ছিলেন আক্রমণাত্মক। ক্যারিযারের ২৯তম হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন মাত্র ৩১ বলে। যার মধ্যে বাউন্ডারি ১২টি। মানে ৪৮ রানই এসেছে চারের মার থেকে!

৭০ রান পর্যন্ত এভাবেই ব্যাট চালালেন তামিম। এরপর দেখে শুনে খেলতে থাকেন। টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরির হাতছানি। দারুণ রেকর্ডের সামনে। তাই হয়তো একটু চাপে ছিলেন। অবশেষে সেঞ্চুরিটা পেলেন। এবং তা স্টাইলে। ৯৬ থেকে সরাসরি ১০০। সেঞ্চুরি করতে মাত্র ১০৮ বল লেগেছে তার।

মতামত