টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নগরীতে শীঘ্রই ব্যাটারি রিকশা চালুর ঘোষণা হাছান মাহমুদের

চট্টগ্রাম, ১৯ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস): নগরীতে শীঘ্রই ব্যাটারি রিকশা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ  বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার গরীব মেহনতি মানুষের সরকার। এ সরকারের আমলে দিনমজুর ও শ্রমিকরা তাদের কাঙ্খিত সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে। গত এক মাস পূর্বে চট্টগ্রাম নগরীতে ব্যাটারি রিকশা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি সরকারের কোন নির্দেশ বা আইন না। আদালতের নির্দেশে ব্যাটারি রিকশা চলাচল বন্ধ আছে। আমাদের দেশে আদালত ব্যবস্থা স্বাধীন। কিন্তু সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে শীঘ্রই ব্যাটারি রিকশা চালুর ব্যবস্থা হবে। আশাকরি আদালত শ্রমিক জনতার প্রাণের আকুতি শুনে অবিলম্বে ব্যাটারি রিকশা চালুর অনুমতি দিবেন।’

রোববার বেলা ১২টায় নগরীর ওয়াসার মোড়ে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।

ব্যাটারি রিকশা চালুর দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করে ব্যাটারি চালিত রিকশা চালক-মালিকদের সংগঠন চট্টগ্রাম ব্যাটারি চালিত রিকশা চালক-মালিক শ্রমিক লীগ।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় শ্রমিক লীগের চট্টগ্রাম মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যাটারি রিকশা চালকরা চুরি করে না। তারা পরিশ্রম করে সামান্য অর্থ উপার্জন করে সংসার চালায়। কিন্তু হঠাৎ করে ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধ করার ফলে হাজার হাজার রিকশা চালক, মিস্ত্রী, মালিক,তাদের লক্ষাধিক পরিবার পরিজন আজ অনাহারে দিনাতিপাত করছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা সফর আলী, সংগঠনের সভাপতি স্বপন বিশ্বাস, কানু কান্তি হাজারী, সাধারণ সম্পাদক মো. সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব ধর, মো.সানাউল্লাহ, মো.আলাউদ্দিন, মো.ইমন, মো.জাহেদ, মো.ইলিয়াছ প্রমুখ।

গত বছরের ৩ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রামে ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের রায় দেয় উচ্চ আদালত। এরপর ৩১ অগাস্ট থেকে বন্দরনগরীতে ব্যাটারি চালিত রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে নগর পুলিশ। ওইসময় অভিযানের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে রিকশা মালিক-চালকরা। পরবর্তীতে গতবছরের ৭ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম মনজুর আলমের বাস ভবন ঘেরাও করে মহাসড়কে ব্যারিকেড দেয় তারা।এরপর তারা উচ্চ আদালতে রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করলে আদালত ছয়মাসের জন্য রায় স্থগিত করে।গত ১৯ মার্চ নগর পুলিশের এক সভায় রিকশা থেকে ব্যাটারি খুলে ফেলতে চালক ও মালিকদের তিনদিন অর্থাৎ রোববার (২২ মার্চ) পর্যন্ত সময় বেধে দেওয়া হয় এবং সোমমাবর (২৩ মার্চ) থেকে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

মতামত