টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

হৃদয়কে সুজানার হুঁশিয়ারি

sচট্টগ্রাম, ১৬ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস)::  গায়ক ও সংগীত পরিচালক হৃদয় খানের সঙ্গে সুজানার ঘর ভেঙ্গে গেছে এটি পুরোনো খবর।বিচ্ছেদের পর হৃদয় খান নানা ধরনের আপত্তিকর অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সুজানা।

এ কারণে হৃদয় খানের মুঠোফোনে এসএমএস পাঠিয়ে অপপ্রচার বন্ধের ব্যাপারে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সুজানা।

হৃদয়ের মুঠোফোনে এসএমএসে সুজানা লেখেন, ‘মানুষের কাছে যেয়ে যেয়ে এবং ফোন করে আমাকে নিয়ে মিথ্যা এবং বাজে অপবাদ দেওয়া তোমার বন্ধ করা উচিত। না হলে আমি অন্য অ্যাকশন নিতে বাধ্য হব। আমি চাই, তুমি ভালো থাকো এবং প্লিজ গেম খেলো না আর।’

এব্যাপারে সুজানা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমি হৃদয়কে এসএমএস দিয়ে সতর্ক করেছি। এরপরও যদি সে অপপ্রচার বন্ধ না করে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় চার বছর ধরে আমি হৃদয়কে চিনি। আমার বিশ্বাস, তার পক্ষে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই সম্ভব না। এটাও ঠিক যে, হৃদয়ের মাধ্যমেই অপপ্রচারগুলো চারিদিকে ছড়াচ্ছে। তাই দিন শেষে এর দায়ভার হৃদয়কেই নিতে হবে।’

অন্য কারো ইন্ধনে তাকে নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে হৃদয় এমনটি মনে করছেন সুজানা।

সুজানা আরো বলেন, ‘মানলাম হৃদয়ের কোনো দোষ নেই। কিন্তু কেন সে সব মিডিয়ার মুখোমুখি হতে চাচ্ছে না! তার কি সেই সৎ সাহস নেই? আমি তো কোনো মিডিয়ার কাছে কোনো কিছুই আড়াল করছি না। সে কেনো লুকোচুরি খেলছে। ফেসবুকে আবার ভিডিও বার্তাও দিচ্ছে। বলছে, সে নাকি আমাকে অনেক ভালোবাসে। তার এ ধরনের কথাবার্তা ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই না।’

তাকে নিয়ে কোনো সমস্যা থাকলে সরাসরি তার সঙ্গেই যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়ে সুজানা বলেন, ‘অযথা বাইরের লোকের কানকথা শুনে ঝামেলা না পাকিয়ে আমার সঙ্গে বসেই সমস্যার সমাধান করলেই হৃদয়ের জন্য ভালো হবে।’

এ ব্যাপারে হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

২০১০ সালের শুরুর দিকে পূর্ণিমা আকতার নামের একটি মেয়েকে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন হৃদয় খান। ছয় মাসের মাথায় হৃদয় খানের সেই সংসার ভেঙে যায়।

অন্যদিকে ২০০৬ সালে ঢাকার একটি বায়িং হাউসের কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদকে প্রথম বিয়ে করেন সুজানা। তার সেই বিয়ে টিকেছিল মাত্র চার মাস।

মতামত