টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সাকার রায়ের কপি ফাঁস : অভিযোগ শুনানি ১০ জুন

full_222910984_1414658764চট্টগ্রাম, ১৫  এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):: মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের কপি ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তার আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির তারিখ আগামী ১০ জুন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

 বুধবার মামলাটির অভিযোগ শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী অসুস্থ থাকার কারণে তার আইনজীবী আদালতে সময় আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এস এম শামসুল আলম  বৃহস্পতিবার পরবর্তী এ দিন ধার্য করেন। আদালত তার আদেশে বলেন, ‘শেষবারের মতো আপনাদের সময় দেওয়া হল।’

এ মামলার আসামিরা হলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম (কারাগারে) ও তার জুনিয়র আইনজীবী মেহেদী হাসান (পলাতক), ম্যানেজার এ কে এম মাহবুবুল হাসান (কারাগারে), আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অফিস সহকারী (সাঁটলিপিকার) ফারুক হোসেন (কারাগারে), পরিচ্ছন্নতাকর্মী নয়ন আলী (কারাগারে)।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রায় ঘোষণার আগেই তার স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সামনে রায়ের স্পাইরাল বাইন্ডিং কপি প্রদর্শন করেন। তারা  প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে,  রায়ের কপি ইন্টারনেটের মাধ্যমে রায় ঘোষণার পূর্বেই তারা পেয়েছেন।

পরে রায়ের ওই কপি নিয়েই তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কক্ষে রায় শোনার জন্য প্রবেশ করেন।

চার্জশিটে আরো বলা হয়, মিডিয়ায় রায় প্রকাশ হলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নয়ন আলী মেহেদী হাসানের চেম্বারে যান এবং রায় কিভাবে ফাঁস হলো জানতে চান। মেহেদী হাসান তাকে জানান, রায়ের কপি তার কাছ থেকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবার নিয়ে গেছে। তারাই অনলাইনে এ রায় ফাঁস করেন। নয়ন আলীকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মেহেদী।

 

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত