টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসব শুরু

নুরুল কবির
বান্দরবান প্রতিনিধি 

unnamedচট্টগ্রাম, ১৩  এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):: বর্ণাঢ্য র‌্যালীর মাধ্যমে বান্দরবানে মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসব শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তঞ্চঙ্গ্যা ঘিলা খেলার মাধ্যমে তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বিসু উৎসব শেষ হয়েছে। আজ সোমবার সকালে পুরাতন রাজবাড়ি মাঠ থেকে সংস্কৃতির শেখড়েই বৈচিত্রময় ঐতিহ্যের ঐক্য: প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপির নেতৃত্বে সাংগ্রাই বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালীতে মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, বম, চাকসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের তরুন-তরুনী এবং শিশু-কিশোরসহ নারী-পুরুষ অংশ নেয়। অপরদিকে গতকাল রবিবার বিকালে সদর উপজেলায় সিনিয়র পাড়ায় তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বিসু উৎসবকে ঘিরে বান্দরবানে তঞ্চঙ্গ্যা ভাষার বর্ণমালা বই মোড়ক উন্মোচন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি । এসময় বান্দরবান সেনা রিজিয়ন কমান্ডার নবিক আহম্মদ চৌধুরী,জেলা প্রশাসক মিজানুল হক চৌধুরী,পুলিশ সুপার দেবদাশ ভট্রাচ্যার্য,সদর জোন কমান্ডার নাজমুল হকসহ প্রশাসনিক কমর্কতারা ছাড়াও রাজনৈতিক দলের নেতাকমীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে পুরাতন রাজবাড়ীর মাঠে বয়স্ক মহিলা ও পুরুষদের পুরষ্কার বিতরন করা হয়।

জানাগেছে, বর্ষ বরণ ও বর্ষ বিদায় উৎসবকে পাহাড়ী জনগোষ্ঠীরা ভিন্নভিন্ন নামে পালন করে। মারমা ভাষায় সাংগ্রাই, ত্রিপুরা ভাষায় বৈসু, তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বিসু এবং চাকমা ভাষায় বিজু’র সংক্ষেপিত রুপ হচ্ছে বৈসাবী। পাহাড়ী চার সম্প্রদায়ের প্রধান এই সামাজিক উৎসবকে সমষ্টিগত ভাবে বৈসাবি বলা হয়। অর্থাৎ চৈত্র মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখ বছরের শেষ দু’দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুদিন বৈসাবীকে মারমা সম্প্রদায় সাংগ্রাই, ম্রো সম্প্রদায় চাংক্রান, খেয়াং সম্প্রদায় সাংগ্রান, খুমী সম্প্রদায় সাংগ্রায়, চাকমা সম্প্রদায় ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় বিজু এবং ত্রিপুরা সম্প্রদায় বৈসু নামে বৈসাবী উৎসব পালন করে আসছে বহুকাল ধরে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত