টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নগরীতে ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় বাস চাপায় হত্যা

Ctg-7চট্টগ্রাম, ০৯ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):: বাসের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্থ সিএনজি টেক্সির ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় এর চালককে চাপা দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আইয়ূব (৪০) নামে এক বাস চালকের বিরুদ্ধে। পরে জনতার দাবির মুখে পুলিশ তাকে আটক করেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর পাহাড়তলী থানার অলংকার মোড়ে এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত শেখ ফরিদ (৩০) নোয়াখালী জেলার চরবৈশাখী উপজেলার সুবর্ণা গ্রামের মো. শাহবুদ্দিনের ছেলে। তিনি হালিশহর থানার বউ বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতা বেলা বারটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যারিকেড দেয়। প্রায় আড়াই ঘন্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর পরে চালক আইয়ূবকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশের আশ্বাসে আড়াইটার দিকে ব্যারিকেড তুলে নেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিটি গেট এলাকায় ৭ নম্বর রুটের একটি বাস একটি সিএনজি অটোরিকশাকে (চট্টমেট্রো-খ-৪১৪৭) ধাক্কা দেয়। এতে সিএনজি অটোরিকশাটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরে সিএনজি অটোরিকশা চালক অলংকার মোড় এলাকায় এসে বাসের গতিরোধ করে চালকের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করে। এ সময় বাসের চালক ও সহকারীর সঙ্গে তার বাকবিতন্ডা হলে বাসের সহকারি অটোরিকশা চালককে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং বাসটি অটোরিকশা চালককে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলে অটোরিকশা চালক মারা যান।এরপর ঘাতক বাস চালককে গ্রেপ্তারের দাবিতে বেলা ১২টা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যারিকেড দেয় স্থানীয় জনতা। পরে বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ ঘাতক বাস চালককে আটক করলে এবং পুলিশের আশ্বাসে বিক্ষুব্ধ জনতা ব্যারিকেড তুলে নেয়।

পাহাড়তলী থানার ওসি একেএম আজিজুর রহমান ভূইয়া বলেন, ‘এঘটনায় ঘাতক বাস চালক আইয়ূবকে আটক করা হয়েছে। বাস চালকের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত